নদীভাঙনের পর হাসান, হোসেনের বাবা চরভবানীপুর থেকে কুষ্টিয়ার শহরতলি বাড়াদিতে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করল। ব্যাপারটা যত সহজে লিখে ফেলা গেল, সেটা মোটেও ততটা সহজ ছিল না। নদীভাঙনের শুরুতেই হাসানের দাদি পরিজান বিবি তাঁর ছোট দেবরের সঙ্গে সলাপরামর্শ করে কুষ্টিয়ায় জায়গা কেনার জন্য মনস্থির করেন। উনিও কুষ্টিয়া শহরে বসবাস করেন। এরপর পালের গরু বিক্রি করে টাকা জোগাড় করা হলো। অবশিষ্ট টাকার জোগান এল হাসানের... বিস্তারিত
from প্রথম আলো https://ift.tt/3fr4ITf
No comments:
Post a Comment